খুলনা, বাংলাদেশ | ২৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ‎ডুমুরিয়ায় তিন বিলের পানি নিষ্কাশনে স্লুইস গেটের পলি অপসারণ স্বেচ্ছাশ্রমে
  কর্ণফুলী নদী থেকে অজ্ঞাত তরুণীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
  মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে তরুণদের হাতে ফুটবল বিতরণ করলেন যুবনেতা শেখ হুমায়ূন কবির
  লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি সফল করতে নিরাপদ খুলনা চাই-এর প্রস্তুতি সভা
  অসুস্থ মায়ের সুস্থতা কামনায় সবার কাছে দোয়া চাইলেন উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহাগ
  ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের উন্নয়নের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোল্লা আবরার হোসেন সৈকতের দোয়া ও সমর্থন কামনা
  ১১ বছরের পথচলায় খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: উৎসবের সঙ্গে নতুন স্বপ্নের অঙ্গীকার
  খর্নিয়া ইউপি নির্বাচন ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন, তৃণমূলের আলোচনায় বিএনপি নেতা শেখ শাহিনুর রহমান
  দাকোপে ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন।
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম

ঘণ্টার পর ঘন্টা পার হলে ও মিলছে না বিদ্যুৎ

[ccfic]

ডেস্ক :

তীব্র গরমের মধ্যে লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে সুনামগঞ্জের জনজীবন। জেলার বিভিন্ন এলাকায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পাঁচ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন গ্রাহকরা। দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, চিকিৎসাসেবা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। ক্ষোভ বাড়তে থাকায় যে কোনো সময় বিদ্যুৎ নিয়ে জনবিস্ফোরণের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।এরই মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবিতে জেলার জাউয়া বাজারে বিক্ষোভ করেছেন ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। একপর্যায়ে তারা মশাল জ্বালিয়ে সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়ক অবরোধ করেন। এ সময় দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানান তারা। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, লোডশেডিংয়ের কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি জানানো হচ্ছে না।এদিকে, বিদ্যুতের ঘন ঘন ও দীর্ঘস্থায়ী লোডশেডিংয়ে মানুষের ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে। দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আরও বড় ধরনের আন্দোলন ও জনভোগান্তি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন গ্রাহকরা। ব্যবসায়ী নুরুল হাসান আতাহের বলেন, ‘গরমের দিনে এত লোডশেডিং হলে বাঁচব কেমনে? সরকারের কাছে দাবি, দ্রুত এর স্থায়ী সমাধান করা হোক। এভাবে দিনের পর দিন লোডশেডিং সহ্য করা সম্ভব নয়। বিদ্যুৎ না থাকলে ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে। মানুষ বাধ্য হয়েই রাস্তায় নামবে।’সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সূত্রে জানা গেছে, সমিতির আওতাধীন জেলার ১২টি উপজেলায় প্রায় ৩ লাখ ৭৫ হাজার গ্রাহক রয়েছেন। বর্তমানে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় প্রতিদিন গড়ে ৩৫ থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। বিপরীতে চাহিদা রয়েছে প্রায় ৭০ থেকে ৭৫ মেগাওয়াট। ফলে বিভিন্ন এলাকায় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত লোডশেডিং করতে হচ্ছে।সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এজিএম (প্রশাসন) তাপস কুমার পাইন বলেন, ‘লোডশেডিং এখন জাতীয় সমস্যা। চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ পাচ্ছি না। চাহিদার তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশের কম বিদ্যুৎ পাচ্ছি। এই পরিমাণ বিদ্যুৎ দিয়ে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সম্ভব নয়। সরকার চেষ্টা করছে, আশা করি শিগগিরই এর সমাধান হবে।’সুনামগঞ্জ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রাসেল আহমদ বলেন, ‘এটি একটি জাতীয় সমস্যা। স্থানীয়ভাবে এর সমাধান সম্ভব নয়। সুনামগঞ্জে প্রতিদিন প্রায় ১৪ মেগাওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু পাচ্ছি সাড়ে আট মেগাওয়াট। চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ না পাওয়ায় লোডশেডিং করতে হচ্ছে।’লোডশেডিংয়ের সময়সূচি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘কোন সময় আমাদের লোডশেডিং করতে হবে, তা আগে থেকে বোঝা সম্ভব নয়। তাই নির্দিষ্ট শিডিউল দেওয়া যাচ্ছে না। কেন্দ্রের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলছি।’

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT